স্বর্গের সিঁড়িতে।


এইতো সেইদিন স্বর্গের সিঁড়িতে বসে দেখছিলাম স্বর্গের অপ্সরী বিহঙ্গরা উড়ে বেড়াচ্ছে স্বর্গের নীলাভ আকাশে। আমিতো বসেই ছিলাম ওই সিঁড়িতেই, অস্তমিত সূর্যের গোধূলি আভায় মহামুগ্ধ আমি।


 


এখন স্বর্গের বাতাসে সেই প্রাচীন সৌরভ। এখন বাড়ি ফিরব আমি। কিন্তু, আমি যে কাল আবার বসবো এই সিঁড়িতেই। স্বর্গের মেঠো পথে হেটে এলাম বাড়িতে, একি অপূর্ব আনন্দে অবগাহন করেছি আমি।

এখন আমি আমার পুরনো কাঠের বাড়িতে, দুরে কোথাও সেই মহীরুহের নীরব নিলয়ে। মোমবাতির আলোয় দেখছি স্বর্গ বিনাশে দানবের স্বর্গে প্রবেশের প্রচেষ্টা। জানি না কখন ঘুমিয়ে পড়েছি আমি সেই তুষার ঘেরা রাতে।



স্বর্গের বিহঙ্গরাই জাগালো আমায় সেই অপূর্ব ভোরে। এখন আমি যাবো সেই স্বর্গের সিঁড়িতে। আজ আঁকব আমি স্বর্গের উদ্যানের ছবি আমার ডায়েরির কোন এক পৃষ্ঠায়।


 

কাল তো এখানেই বসেছিলাম আমি। কোথাও দেখছি না আজ সিঁড়িগুলো। হঠাৎ এক রাতেই হারিয়ে গেলো স্বর্গের সিঁড়িগুলো। কিভাবে বোঝাবো এই গভীর কষ্ট? আমি যে মনে প্রানে ভালবেসে ফেলেছি সেই স্বর্গকে। আমি কি অভিশপ্ত সেই স্বর্গ বিতাড়িত আজ?

কি ছিল সেই স্বর্গ? এ যে সেই প্রাচীন প্রকৃতি, যেখানে বাতাসে ছিল সেই প্রাচীন সৌরভ। আমি কি এখনো খুঁজে পাই সেই প্রাচীনত্ব এই আধুনিক পৃথিবীতে?


 

Leave a Reply